বিশ্বের
অন্যতম সুন্দর ফুটবল লিগে এবার আগমন ঘটছে এক সুন্দরীর। ইতালির সিরি-এ তে বাঁশি
মুখে ম্যাচ পরিচালনা করতে দেখা যাবে ৩২ বছরের মডেল ক্লদিয়া রোমানিকে।
২০০৬ থেকে ২০১০ পর্যন্ত
বিশ্বের সেরা ১০০ লাস্যময়ী মডেলের তালিকায় থাকা রোমানি হঠাত্ করেই নিজের পেশাকে
বিদায় জানিয়ে এখন পুরোদস্তুর পেশাদার রেফারি।
ইউরোপীয় ফুটবলের প্রথম
শ্রেণীর ম্যাচ পরিচালনা করতে যা যা পরীক্ষায় পাশ করতে হয় তার সবগুলো ইতিমেধ্যেই
সেরে ফেলেছেন তিনি।
রেফারি হিসেবে দায়িত্ব
পালনের শুরুতেই ক্লদিয়া বলেছেন, ‘ আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি
না। মনে হচ্ছে কখন বাঁশি মুখে নেমে সারা মাঠে দৌড়ে বেড়াব।’
ইতালিতে জন্ম হলেও
রোমানির ছেলেবেলা কেটেছে ডেনমার্কে। মডেল হয়ে র্যাম্পে হাঁটারও শুরু সেখানে। তবে
এরপর তিনি কাটিয়েছেন মায়ামিতেই।
ইউরোপের নামী মডেল
হিসেবেই চিহ্নিত ছিলেন এই সুন্দরী। কিন্তু হঠাৎই ফুটবলের প্রতি তার মোহ জন্মায়।
একের পর এক পরীক্ষা দিয়ে তিনি এখন এক শিক্ষিত পেশাদার রেফারি। যে কোনও দিনই তিনি
সিরি-বি তো বটেই সিরি-এতে ম্যাচ পরিচালনা করার ডাক পেয়ে বসতে পারেন।
ঠিক
কি কারণে তিনি রেফারি হওয়াটাকে বেছে নিলেন? নিজেই জানাচ্ছেন রোমানি। তিনি বলেন,
‘আমার চারপাশে ফুটবলাররা দৌড়োবে। আমার কথায় তারা থামবে, এগোবে। এমন দুর্নিবার
আকর্ষণেই আমি রেফারি হয়েছি।’
বিশ্বে অন্যতম লিগগুলোর
মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেই শুধু এখনও পর্যন্ত কোনও নারী রেফারি ম্যাচ
করেনি। শিয়ান এলিস নামে এক নারী ফুটবলার সহকারী রেফারি হয়েছিলেন।
কিছুদিন আগে
বুন্দেশলিগায় বিবিয়ানো স্টেইনহাস নামের এক নারী চতুর্থ রেফারি মাঠে বায়ার্ন মিউনিখ
কোচ পেপ গার্দিওলার সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
সেখানে সিরি-এ তে রোমানি
যখন পিরলো, তেবেজ, বাফন, টট্টিদের সামলাতে মাঠে নামবেন, তখন নিঃসন্দেহে একটা ঝড়
বয়ে যাবে। কারণ সন্দেহ নেই, সুন্দরী রোমানি রেফারি হিসেবে মাঠে নামলে, সেই ম্যাচের
অনেক আলো তিনি নিজেই টেনে নেবেন।

No comments:
Post a Comment