সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায়
এবার ১৪ লাখেরও বেশি
প্রার্থী আবেদন করেছেন।
নিয়োগ পাবেন ১০-১১
হাজার। লিখিত
পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরে হতে
পারে বলে অধিদপ্তর সূত্রে
জানা গেছে। তাই
দেরি না করে এখনই
নিতে হবে প্রস্তুতি।

বাংলাঃ
বাংলা অংশ থেকে ২০টি
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকে। বাংলার
জন্য পড়তে হবে বিশিষ্ট
লেখকদের জীবনী, উক্তি, জন্ম-মৃত্যু তারিখ ও
পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির
বাংলা ব্যাকরণের বিভিন্ন অধ্যায়। ব্যাকরণের জন্য কারক ও
বিভক্তি, সমাস, বাগধারা, এক
কথায় প্রকাশ, শুদ্ধিকরণ, সন্ধি, এই অধ্যায়গুলো
পড়লে বাংলা অংশে ভালো
করা যাবে। এ ছাড়া
বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষার
প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
গণিতঃ
গণিতে বেশির ভাগ পরীক্ষার্থীই
খারাপ করে। এই অংশ
থেকে ২০টি উত্তর করতে
হয়। এতে ভালো করতে
হলে পরীক্ষার্থীদের সপ্তম থেকে দশম
শ্রেণির পাটিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতির বিভিন্ন
অধ্যায়গুলো বারবার চর্চা করা
দরকার। পাটিগণিতের জন্য গড়, শতকরা,
ঐকিক নিয়ম, সুদকষা, অনুপাত
এই অধ্যায়গুলো ভালো করে নিয়মিত
চর্চা করলে পরীক্ষায় এ
থেকে প্রশ্ন পাওয়া যাবে।
আর বীজগণিতের জন্য মান নির্ণয়,
উৎপাদক ইত্যাদি অধ্যায়গুলো গুরুত্ব দিতে হবে। জ্যামিতিতে
ভালো করতে হলে বর্গক্ষেত্র,
ত্রিভুজ, আয়তক্ষেত্র, রম্বস, সামন্তরিক—এগুলো
পড়লেই হবে।
ইংরেজিঃ
ইংরেজিতে ভালো করার সহজ
উপায় হলো ভালো করে
ইংরেজি ব্যাকরণগুলো নিজের আয়ত্ত করে
নেওয়া। মূলত এই ব্যাকরণ
থেকেই বেশির ভাগ প্রশ্ন
পাওয়া যাবে। Article, Noun, Spelling,
Synonyms, Right form of verbs, Adjective, Voice, Narration, Preposition,
Correction, Translation এই
অধ্যায়গুলো পড়তে হবে খুব
মনোযোগসহকারে। ইংরেজিতে প্রশ্ন থাকে মোট
২০টি, যার বেশির ভাগ
এই অধ্যায়গুলো থেকেই আসে। আর
সঙ্গে রাখতে হবে বিভিন্ন
দেশি-বিদেশি লেখক সম্পর্কে
ধারণা। তাহলে সাহিত্য অংশে
ভালো করা যাবে।
সাধারণ জ্ঞানঃ
সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ
ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।
এ ছাড়া তথ্য ও
প্রযুক্তি বিষয়েও জানতে হবে।
বিগত বছরের প্রশ্ন, বিসিএস
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো ভালো করে পড়তে
হবে। নিয়মিত দৈনিক পত্রিকা
পড়া, সম্প্রতি ঘটনাবলি, রাজনীতি, ইতিহাস, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে
হবে। এ ছাড়া পঞ্চম
থেকে দশম শ্রেণির বোর্ডের
বইয়ের ওপর দখল থাকলে
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায়
ভালো করা সম্ভব।
নিশ্চিত হয়ে উত্তর দেওয়া
অনেকেই আছেন নিশ্চিত না
হয়েই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
যা করা মোটেও উচিত
না। কারণ, প্রতিটি ভুল
উত্তরের জন্য ০.২৫
নম্বর কাটা হয়। অর্থাৎ
চারটি ভুল উত্তরের জন্য
কাটা হয় ১ নম্বর।
এ বিষয়টি খুব ভালোভাবে
খেয়াল রাখতে হবে। তাই
কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না
থাকলে তা না দেওয়াই
ভালো।
No comments:
Post a Comment